June 8, 2026, 1:09 am
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চরফ্যাশনের কৃত-সন্তান দীর্ঘ দিনের রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোফাক্কারুল ইসলাম (মিশন) গোপালগঞ্জ জেলায় সেরা শিক্ষিকা হিসেবে নির্বাচিত হলেন আছমা খানম । পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করেন। মুকসুদপুর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা সনদ প্রতিয়োগি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান 2026 । Ifur দুই দিন আগে লিফটে চিৎকারের শব্দ, আজ দুপুরে গর্তে মিলল ব্যবসায়ীর লাশ আওয়ামী লীগের গডফাদার আব্বাস মনপুরা উপজেলা এখন রাজনীতির নামে চলছে রমরমা ব্যবসা ১% ভোট পাবেন কিনা সন্দেহ এডভোকেট সালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স ০৯ নং চর-সামাইয়া ইউনিয়ণ পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জননেতা জনাব মোঃ ‍রুবেল মিয়াজি ভোলা জেলা যুবদলে সহ-সাধারন সম্পাদক

শহীদ মিনারে ফুল দিতে বাধা দেয়ায় বিএনপিকে সতর্ক করল রুমিন ফারহানা

বিশেষ প্রতিনিধীঃ রানা ইসলাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে সদ্য নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ওই ঘটনায় স্থানীয় নেতাদের নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে বিএনপিকে সতর্ক করেছেন তিনি।

ওইদিন শহীদ মিনারে ফুল না দিয়েই চলে যান রুমিন ফারহানা। এরপর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার সমর্থকরা সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ও বাঁশে অগ্নিসংযোগ করে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে কমপক্ষে ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রথমে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাই। সে সময় বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘যারা দলের পদ ব্যবহার করে এমন হিংস্রতা করে, তাদের বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায়ে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। না হলে দলের জন্য যেমন ক্ষতিকর হবে, তেমনি সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হবে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছান রুমিন ফারহানা। এ সময় পুষ্পস্তবক নিয়ে শহীদ বেদির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রুমিন ফারহানা ও তার কর্মী-সমর্থকেরা।

এ সময় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এসে রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে না পেরে কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন তিনি।